মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কি সেবা কিভাবে পাবেন

নিরাপত্তা সেবা প্রত্যাশী সংস্থার জন্য

 

নিম্নোক্ত পদ্ধতি  অবলম্বন করে কোন প্রত্যাশী সংস্থা আনসার অংগীভূত করতে পারেন।

 

() আবেদনঃ কোন প্রত্যাশী সংস্থা জেলা কমান্ড্যান্ট এর দপ্তরে রক্ষিত নির্দিষ্ট আবেদন ছক পূরণ করে তাঁদের দাপ্তরিক লেটার হেড প্যাডের সাথে সংযুক্ত করে জেলা কমান্ড্যান্ট এর দপ্তরে আনসার অংগীভূতির অনুরোধ পত্র দাখিল করবেন।

 

 বিঃদ্রঃ আবেদন পত্রের সহিত আবশ্যিক সংযুক্তি সমূহ নিম্নরূপঃ

·        মৌজা ম্যাপে জায়গা চিহ্নিত করণ।

·        মৌজা ম্যাপে উল্লেখিত জায়গার সম্প্রসারিত স্কেচে, ভূমি, স্থাপনা এবং দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিবরণী।

·        আনসার সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ।

·        ভূমি অফিসের প্রত্যায়ন পত্র(মালিকানা সংক্রান্ত)।

·        ৩০০/-(তিনশত ) টাকার নন- জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা।

·        বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যবসা সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট দলিল-পত্রাদি।

·         জমির মূল দলিল, পর্চা, খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর রশিদ ইত্যাদির সত্যায়িত ছায়ালিপি।

 

() বিভাগীয়পরিদর্শন ঃ আনসার প্রত্যাশী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আবেদন ফরমে উল্লেখিত তথ্য -সমূহের সঠিকতা যাচাইকল্পে ও প্রস্তাবিত স্থানে আনসার অংগীভূত করা যাবে কিনা এ মর্মে সংশিষ্ট উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা পরিদর্শন পূর্বক জেলা কমান্ড্যান্ট এর বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করবেন। পরবর্তীতে সদর দপ্তরের স্মারক নংঅপাঃ/কেপিআই/৮৯০(৩)/৪০১/আনস্‌, তারিখঃ-০৩/০৪/১১ খ্রিঃ এর নির্দেশের আলোকে সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট আবেদিত স্থাপনা পরিদর্শন করে থাকেন।

উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা এবং সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট কর্তৃক পরিদর্শন ইতিবাচক মতামত দাখিল হলে  সংস্থায় আনসার মোতায়েন করার জন্য পরিচালক, আনসার ও ভিডিপি  ঢাকা রেঞ্জ, ঢাকা মহোদয়ের মাধ্যমে সদর দপ্তর অপারেশন শাখায় অনুমোদন চাওয়া হয়। 

 

(৩) চূড়ান্ত মোতায়েনঃ সদর দপ্তর অপারেশন শাখার অনুমোদনের আলোকে প্রত্যাশী সংস্থায় আনসার মোতায়েনের জন্য জেলা কমান্ড্যান্ট মহোদয় আদেশ জারী করেন।

 

 () সংস্থা হতে বেতন ভাতাদি গ্রহণ ও পরিশোধঃ কোন সংস্থায় আনসার  অংগীভূতকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবার পর উক্ত সংস্থাকে নির্ধারিত হারে আনসারদের তিন মাসের বেতন-ভাতার সমপরিমান অর্থ অগ্রীম হিসাবে নগদ, পে-অর্ডার/ব্যাংকড্রাফট এর মাধ্যমে জেলা কমান্ড্যান্ট এর দপ্তরে জমা করতে হয়। এছাড়া মাসিক নিয়মিত ভাবে বেতন-ভাতাদি পরিশোধ করতে হয়। প্রতি বছর নির্ধারিত হারে দু’টি উৎসব বোনাস অংগীভূত আনসারদেরকে প্রদান করতে হয়।

 

 () ১৫% আনুষঙ্গিক অর্থঃ আনসার প্রত্যাশী সংস্থা প্রত্যেক অংগীভূত আনসার সদস্যের দৈনিক ভাতার ১৫% আনুষঙ্গিক অর্থ হিসাবে জেলা কমান্ড্যান্ট এর নিকট প্রদান করবেন।

 

(৬) অংগীভূতিরমেয়াদকালঃ প্রত্যাশী সংস্থা কমপক্ষে তিন বছরের জন্য আনসার নিয়োগ করবেন। সশস্ত্র হলে কমপক্ষে ১০ জন এবং নিরস্ত্র হলে ৬ জন আনসার অংগীভূত করা হয়।

 সাধারণ আনসার, ভিডিপি-টিডিপি, কারিগরি ও পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাহিনী যেসকল সেবা প্রদান করে থাকেন তা নিম্নরুপঃ

১। সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)

ক.         একজন আনসার হিসেবে অঙ্গীভূতির যোগ্যতা অর্জনপূর্বক তাঁর উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালনে যোগ্য ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলা।

খ.         উপজেলা পর্যায়ে গঠিত আনসার কোম্পানী ও ইউনিয়ন আনসার প্লাটুনের শূন্য পদে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হওয়ার যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা।

গ.         বাহিনীর কর্মকান্ড, অর্গানোগ্রাম ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত Áান প্রদান।

ঘ.         জননিরাপত্তা, কেপিআই নিরাপত্তা, অস্ত্র চালনা, পিটি, ড্রিল ও ফায়ার ফাইটিং বিষয়ে দক্ষ করে তোলা।

প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরুপঃ

*          জেলা সদরে প্রাথমিক পর্ব এবং ধারাবাহিকভাবে আনসার-ভিডিপি একাডেমি, সফিপুর, গাজীপুরে চূড়ান্ত পর্বে এই প্রশিক্ষণ পরিচালিত হয়।

*          উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা কোটা অনুযায়ী সদস্য/সদস্যা বাছাই করে জেলা কমান্ড্যান্ট-এর কার্যালয়ে তালিকা প্রেরণ করেন।

*          আনসার আইন ১৯৯৫ এবং আনসার বাহিনী প্রবিধিমালা ১৯৯৬-এর আলোকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিম্নরুপ যোগ্যতা সম্পূন্ন হতে হয়ঃ

(ক) বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর

(খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যুনতম অষ্টম শ্রেনী পাশ। তবে এসএসসি বা তদূর্দ্ধ পাশদের প্রশিক্ষণ গ্রহণে আগ্রাধিকার দেয়া হয়।

(গ) উচ্চতাঃ

(অ) সর্বনিম্ন ১৬০ সেঃ মিঃ অর্থাৎ ৫ফুট-৪ ইÂ (পুরুষের ক্ষেত্রে)

(আ) সর্বনিম্ন ১৫০ সেঃ মিঃ অর্থাৎ ৫ফুট-০ ইÂ (মহিলার ক্ষেত্রে)

(ই) বুকের মাপ ৭৫ সেঃ মিঃ হতে ৮০ সেঃ মিঃ অর্থাৎ ৩০র্-৩২র্ (পুরুষের ক্ষেত্রে)

(ঈ) দৃষ্টি শক্তিঃ ৬/৬

*          সধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং চারিত্রিক ও নাগরিকত্ব

সার্টিফিকেট দাখিল করতে হয়।

*       প্রশিক্ষণকালীণ প্রশিক্ষণার্থীদের বিনামূল্যে থাকা, খাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ প্রদান করা হয়।

*       এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কোন সদস্যকে কোন অর্থ প্রদান করতে হয় না।

*       এই প্রশিক্ষণ সাফল্যজনকভাবে সমাপ্তির পর দেশের বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী কেপিআই/গুরুত্বপূর্ণ গার্ড/সংস্থায় অঙ্গীভূত হয়ে নিরাপত্তা

বিধানের দায়িত্ব পালন করে।

*       প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য/সদস্যাগণ দুর্গাপূজা, জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইত্যাদি দায়িত্ব পালনের জন্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য

‘অঙ্গীভূত হয়ে থাকে।

  • প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য-সদস্যা ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতে নির্ধারিত ১০% কোটায় আবেদন করার সুযোগ পান।

 

২। গ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প ভিত্তিক অস্ত্রবিহীন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)

ক. গ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প ভিত্তিক ভিডিপি প্লাটুন পুনর্গঠন ও হালনাগাদকরণ।

খ. আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, স্থানীয় নেতুত্ব সৃষ্টি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি।

গ. সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় গণভিত্তিক প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী সৃষ্টি।

ঘ. নির্বাচনী দায়িত্ব পালন সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান এবং নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে যোগ্য করে গড়ে তোলা।

প্রশিক্ষণের নিয়মাবলী নিম্নরুপঃ

*          সংশ্লিষ্ট গ্রামের ৩২ জন পুরুষ এবং ৩২ জন মহিলা সমন্বয়ে গঠিত দুটি প্লাটুনকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

*          গ্রামের সুবিধাজনক স্থানে ১০ (দশ) দিনের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

*          একটি গ্রামে একবার এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

*          প্রশিক্ষণার্থীকে সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণী পাশ হতে হয়।

*          প্রশিক্ষণার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে।

*          দৈনিক ৯০/- টাকা হারে ১০ দিনে ৯০০ (নয়শত) টাকা প্রশিক্ষণ ভাতা প্রদান করা হয়।

*          প্রশিক্ষণ শেষে প্রাপ্ত ৯০০ (নয়শত) টাকা থেকে ১০০ (একশত) টাকা মূল্যের আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ০১ (এক) টি

            শেয়ার ক্রয় করতে হয়।

*          প্রশিক্ষণার্থীগণকে প্রশিক্ষণ শেষে সনদ পত্র প্রদান করা হয়।

*          জেলা কমান্ড্যান্ট আর্থিক বছর শুরুর আগেই উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার সুপারিশ মোতাবেক গ্রাম নির্বাচনকরেন।

*          এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গ্রামের ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা প্লাটুনসমূহ পূর্নগঠিত হয়।

*          প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য-সদস্যা ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতে নির্ধারিত ১০% কোটায় আবেদন করার সুযোগ।

৩।      জেলা ভিত্তিক অস্ত্রসহ ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)

  1.  

খ. সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষিত কর্মী বাহিনী গঠন।

গ. নেতৃত্বের গুণাবলী সৃষ্টি ও স্থানীয় আিইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাগত দক্ষতা অর্জন।

ঘ. নির্বাচনী দায়িত্ব পালন সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান এবয় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে যোগ্য করে গড়ে তোলা।

প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্য-সদস্যা ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতে নির্ধারিত ১০% কোটায় আবেদন করার সুযোগ বিদ্যমান।

 

কারিগরি ও পেশা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ

১। বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ ও মহিলা)

ক. কম্পিউটার ব্যবহারে পারদর্শী করে তোলার মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করা।

খ. কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে সক্ষমতা সৃষ্টি করা।

গ. ডিজিটালাইজড বাংলাদেশ বিনির্মাণে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করা।

 

২। মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ/মহিলা)

ক.  সাধারণ আনসার ও ভিডিপি সদস্যগণকে মোটর গাড়ী চালনায় পারদর্শী করে তোলা।

খ. প্রশিক্ষণ গ্রহনকারীগণকে মোটর গাড়ী রক্ষণাবেক্ষণে সক্ষম করে গড়ে তোলা।

গ. দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান তৈরীর মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন ঘটাতে সহায়তা করা।

 

 

৩। মোবাইল ফোনসেট মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ (পুরুষ ও মহিলা)

ক. মৌলিক দক্ষতা সম্পন্ন পারদর্শী মোবাইল ফোন ম্যাকানিক তৈরী করা।

খ. মোবাইল ফোনসেট মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দক্ষ ও পারদর্শী করে গড়ে তোলা।

গ. কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম করা।

৪।  সোয়েটার মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ (ভিডিপি পুরুষ)

ক. বিজিএমইএ-র সহায়তায় পরিচালিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সোয়েটার মেশিন অপারেটিং ফ্যাক্টরীতে চাকরি অর্জনের উপযোগী করে গড়ে

    তোলা।

খ. তৈরা পোষাক শিল্পে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে আর্থিক উন্নয়ন ঘটাতে সহায়তা করা

৫। ওভেন মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণ (ভিডিপি মহিলা)

ক. বিজিএমইএ-র সহযোগিতায় পরিচালিত ওভেন মেশিন অপারেটিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে দক্ষ করে গড়ে তোলা।

খ. প্রশিক্ষণার্থীগণকে ইলেকট্রিক মেশিনে সেলাই কাজে দক্ষ করে তোলা।

গ. তৈরা পোষাক শিল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়নে সহায়তা করা

৬। সেলাই ও ফ্যাশন ডিজাইন (অতিরিক্ত নকশি কাঁথা তৈরী) প্রশিক্ষণ (ভিডিপি মহিলা)

ক. সেলাই মেশিনে সেলাই করা এবং ব্লক, বুটিক, বাটিক ও নকশি কাঁথা তৈরী কাজে দক্ষ করে গড়ে তোলা।

খ. প্রশিক্ষণার্থীগণ সেলাই ও নকশি কাঁথা তৈরী কাজে দক্ষতা অর্জনে সক্ষম করা এবং আত্মকর্মসংস্থানের জন্য নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তোলা।

গ. তৈরা পোষাক শিল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষমকরা।

 

 

নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে সারা বছর ব্যাপী আত্মকর্মসংস্থান মূলক প্রশিক্ষণে জেলা কার্যালয় হতে আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষণার্থী বাছাই ও প্রশিক্ষণ সম্পাদন করা হয়ে থাকে।

১। আনসার-ভিডিপি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ নীতিমালা অনুযায়ী জেলা কমান্ড্যান্ট আনসার-ভিডিপি সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণার্থীর কোটা প্রদান করেন।

২। প্রাপ্ত কোটা মোতাবেক উপজেলা/থানা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা গণ ইউনিয়ন দলনেতা ও দলনেত্রীদের মাধ্যমে প্লাটুনভূক্ত সদস্য-সদস্যাদের মধ্য হতে যোগ্যতা সম্পন্ন প্রশিক্ষণার্থী প্রাথমিকভাবে বাছাই করে জেলা কমান্ড্যান্ট এর নিকট প্রেরণ করেন।

৩। জেলা কমান্ড্যান্ট উক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের চুড়ান্ত বাছাই করে সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter